আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তায়ালার বড় নেয়ামত। যে আসরের ৪ রাকাত ফরজ নামাজ জামাতের সহিত, আদায় করার তৌফিক দান করেছেন  এজন্য সকলে দিল থেকে বলি আলহামদুলিল্লাহ।

আমার একভাই এলান দিয়েছেন মহল্লায় দাওয়াতের আমল হবে। মসজিদে ইমানি কথা হবে এই দাওয়াতের জন্য আল্লাহ তায়ালা যুগে যুগে অনেক নবী রাসুল পাঠিয়েছেন। সমস্ত নবী একই কালেমার দাওয়াত  দিয়েছেন। হে মানুষ সকল পড়

 লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, এই কালেমা যারা মেনে নিয়েছে তারা কামিয়াবি ও জান্নাতি । আর যারা মেনে নেয়নি তারা নাকামিয়াব

এবং ধ্বংস হয়ে গেছে। এই কালেমার দওয়াত দিতে যেয়ে, সমস্ত নবী রাসুল কষ্ট মুজাহাদা করেছেন - যেমন

হযরত ইব্রাহীম (আঃ) নমরুদের আগুনে পরতে হয়েছে। হযরত মুসা (আঃ) কে ফেরাউনের কাছে যাইতে হয়েছে 

হযরত ঈসা (আঃ) ৪র্থ ্‌আসমানে যেতে হয়েছে। আমাদের শেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) কে তায়েফে রক্তাক্ত হতে হয়েছে

সমস্ত নবীর কষ্ট মুজাহাদা যদি এক পাল্লায় দেওয়া হয়। আর আমাদের নবীর কষ্ট মুজাহাদা যদি এক পাল্লায় দেওয়া হয় ।

তবে আমাদের দিনের নবী মায়ার নবীর কষ্ট মুজাহাদায় বেশি হবে।

এই কাজের অনেক বড় লাভ যেমন- এক সকাল এক বিকাল আল্লাহর রাস্তায় ঘোরাফেরা করা যায়, দুনিয়া ও দুনিয়ার মধ্যে যা কিছু আছে, এর থেকে উত্তম বদলা আল্লাহ তায়ালা দান করবেন ।  এই রাস্তায় এতো দাম যে  প্রতি কদমে ৭শ করে গুনা মাফ এবং ৭শ নেকি আমল নামায় দিবেন।  এক এক কথার বদলে এক এক বছরের নফল এবাদত করার ছোয়াব পাওয়া যায়। আল্লাহর রাস্তায় ঘোরাফেরা করতে যাইয়া যদি শরিরে ধুলাবালি লাগে , এই ধুলা বালি আর জাহান্নামের আগুন এক হইবে না, এই দাওয়াত দিতে যাইয়া যদি কোন ভাইয়ের বাড়ীর সামনে অপেক্ষা করা হয়। তবে

হযরত আসওয়াদ পাথর কে সামনে রেখে সবে কদরের  সারারাত্র নফল এবাদত করার ছোয়াব দেওয়া হয় ।

এই কাজের বড় লাভ এই কাজ করতে আমরা রাজি আছিনা ইনশাআল্লাহ??


নিয়ম

জামাতের মধ্যে দুইটি অংশ হইবে একটি মসজিদের ভিতরে থাকবে আর অন্যটি গাস্তে যাবে। যে জামাত গাস্তে যাবে তাতে থাকবে এককন রাহবার, এককন মুতাকাল্লিম,কয়েকজন মামুর এবং একজন যিম্মাদার।রাহবার এলাকার লোক হইলে খুব ভাল হয়।
সারা দুনিয়াকে সামনে নিয়ে আল্লাহপাকের রাজির জন্য গাস্তে যাওয়া। 
গাস্তে যাওয়ার আগে নিজের দুর্বলতা পেশ করে দোয়া করা।
৭-১০ জন সাথী হলে ভালো হয়।
নজরের হেফাজত করা।
জিকিরে ফিকিরে যাওয়া।
রাস্তার ডান দিক দিয়ে চলা।
মহল্লার শেষ প্রান্ত থেকে শুরু করে মসজিদের দিকে আসা।
মসজিদেও আমল চলবে। এক ভাই ঈমান একীনের কথা বলবে, কিছু ভাই কথা শুনবে, ২/১ ভাই এস্তেকবাল করবে, ২/১ ভাই দোয়া ও জিকিরে লিপ্ত থাকবে। 
রাহবারের কাজঃ 
রাহবারের কাজ হলো মহল্লার ডান দিক দিয়ে প্রতিটি ঘরে ঘরে গিয়ে এক এক করে সকল লোকের নিকট জামাতকে নিয়ে যাওয়া এবং সালাম দিয়ে বলা যে আল্লাহর রাস্তার মেহমানেরা আসছে আপনার সাথে কথা বলবে। যদি তিনি কাজে ব্যস্ত থাকেন তবে কাজ থেকে ফারেক করে মুতাকাল্লিমের কাছে নিয়ে আসবেন।রাহবার মুতাকাল্লিম,যিম্মাদার ছাড়া অন্য কেউ সালাম দিবেন না, সালামের উত্তরও দিবেন না।
মুতাকাল্লিমের কাজঃ
মুতাকাল্লিম ভাই নরম নরম স্বরে তিন কথার উপর দাওয়াত দিবেন। তাওহীদ,রিসালাত এবং আখিরাতের উপর।দাওয়াত এমনভারে দিতে হবে যে যেন বয়ানও না হয় এবং এলানও না হয়।
 
Top