তাবলীগের পরামর্শ কি ও কেন ?
সারা আলমের দ্বীনের তাকাযাকে সামনে রেখে সাথী ভাইদের খেয়াল নিয়ে আগামী ২৪ ঘন্টা কাজের একই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া। ৩টি বিষয়ের উপর পরামর্শ করব। (১) কিভাবে এলাকা থেকে নগদ জামাত বের করা যায় তার ফিকির করা। (২) নিজে ও সাথী ভাইদের কি ভাবে ঞ্জানী, গুনি, কর্মঠ কর্মী ও দায়ী বনে যাই। (৩) এলাকায় যদি মসজিদওয়ারী ৫কাজ চালু থাকে তবে জোরদার করা আর না থাকলে চালু করা।পরামর্শ করলে লাভ
(১) ঈরামর্শ করা আল্লাহর হুকুম, নবীর সুন্নত, মোমীনের ছেফাৎ।(২) পরামর্শ করে কাজ করলে খায়ের বরকত হয়।
(৩) পরামর্শ করে কাজ করলে জোড় মিল, মহব্বত পয়দা হয়।
(৪) পরামর্শ করে কাজ করলে তোড় খতম হয়।
(৫) পরামর্শ করে কাজ করলে আজাব গজবের ফয়ছালা আল্লাহপাক উঠিয়ে নেন।
(৬) পরামর্শ করে কাজ করলে উত্তম বদলা অতিশীঘ্র পাওয়া যায়।
(৭) পরামর্শ করে কাজ করলে অহীর বরকত পাওয়া যায়।
পরামর্শ করার আদব
(১) ঈরামর্শেও আগে একজন জিম্মাদার না-বালেগ পাগল ও মহিলা না হয়।(২) ডানদিক থেকে খেয়াল পেশ করা।
(৩) কাহারও খেয়াল কেহ না কাটা।
(৪) দীল থেকে, দ্বীনের দিকে মোতাওয়াজ্জা হয়ে খেয়াল পেশ করা।
(৫) আমার খেয়াল অনুযায়ী রায় হলে খুশী হওয়া, এস্তেগফার পড়া কারণ খারাপি আসলে আমি দায়ী হয়ে যাব।
(৬) আমার খেয়াল অনুযায়ী রায় না হলে বেজার না হওয়া, আলহামদুলিল্লাহ পড়া।
(৭) পরামর্শের আগে কোন পরামর্শ না করি। পরামর্শের পরে কোন সমালোচনা না করি।
(৮) জিম্মাদার যে ফয়ছালা দেন, তাহা বিনা আপত্তিতে মেনে নেয়া।
(৯) জিম্মাদার ইচ্ছা করলে সাথীদের খেয়াল না নিয়ে ফয়সালা দিতে পারেন।