তাবলীগের তারূফী বয়ান

আলহামদুলিল্লাহ ! আল্লাহপাকের বহুত বড় এহছান আর ফজল ও করম, তিনি নিজ দয়ায়, নিজ মায়ায় আমাদের সকলকে মসজিদে আসার তৌফিক দান করেছেন।
    আল্লাহপাক যাদের পছন্দ করেন, তাদেরই মসজিদে আসার তৌফিক দান করেন। তারপর দ্বীনের এক ফিকির নিয়ে বসার সুযোগ দিয়েছেন। এক লাখ বা দুই লাখ চব্বিশ হাজার পয়গম্বর যে কাজ করে গেছেন।
    কোরআনের ঘোষণা এই যে, হে দুনিয়ার মানুষ তোমরা আল্লাহকে এক বলে স্বীকার করে নাও, তোমরা কামিয়াব হয়ে যাবে অর্থাৎ সকলেই জান্নাতি হয়ে যাবে। দ্বীনকে দুনিয়ার বুকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নবীও পয়গম্বর কষ্ট ও মোজাহাদা সহ্য করেছেন।
    হযরত ইব্রাহিম (আঃ) নমরুদের আগুনে প্রবেশ করেছেন। হযরত ইউনুছ (আঃ) মাছের পেটে গিয়েছিলেন। হযরত ঈসা (আঃ) পরে ছয়শত বৎসরের উর্দ্ধে দ্বীনের দাওয়াত না থাকার কারণে কাবা গৃহে ৩৬০টি দেবমুর্ত্তি আশ্রয় নিয়েছিল। আখেরী নবী হযরত মোহাম্মদ (সঃ) নবুয়ত প্রাপ্ত হয়ে দ্বীনের দাওয়াত যখন মানুষের দ্বারে দ্বাওে পৌঁছাতে লাগলেন তখন তাঁকে অপমানিত ও লাঞ্চিত হতে হয়েছে। যে দেহে মশামাছি পড়া হারাম ছিল, সেই দেহে তায়েফ বাসীরা পাথর মেওে সারা দেহ রক্তাক্ত করেছিল, এমন কি তাঁহার জুতা মোবারক পায়ে আটকে গিয়েছিল। তবুও তিনি তাদের অভিশাপ দেন নাই। হুজুর পাক (সঃ) দ্বীন প্রচারে বিফল হয়ে আল্লাহ পাকের হুকুমে মদিনায় হিজরত করেন। মদীনা বাসীরা তাঁকে জান মাল সময় দিয়ে নছরত করেন, তখন দ্বীন জিন্দা হয়। যারা হিজরত করিয়াছিল তাহারা মোহাজের নামে এবং যারা নছরত করিয়াছিল তারা আনছার নামে পরিচিত। আল্লাহপাক কোরআনে আনছার ও মোহাজেরদের সম্মন্ধে আলোচনা করেছেন। হুজুর পাক (সঃ) বলেছেন, “তোমরা যদি একটি কথাও জান তবে অন্যের নিকট পৌঁছিয়ে দাও”।
ভাই দ্বীনের দাওয়াতের এক নকল হরকত নিয়ে এক মোবারক জামাত আপনাদেও মসজিদে উপস্থিত। জামাত এই মসজিদে ৩দিন থাকনে, কোন কোন ভাই নছরত করার জন্য তৈরী আছেন।
 
Top